আর্কটিকের সংক্ষিপ্ত পথ পেরিয়ে যুক্তরাজ্যে প্রথমবার চীনা কনটেইনার শিপ

আর্কটিক অঞ্চলের নর্দার্ন সি রুট (এনএসআর) বা উত্তর সমুদ্রপথ পেরিয়ে ইউরোপে যাত্রা সম্পন্ন করেছে চীনের একটি কনটেইনার জাহাজ।

আর্কটিক অঞ্চলের নর্দার্ন সি রুট (এনএসআর) বা উত্তর সমুদ্রপথ পেরিয়ে ইউরোপে যাত্রা সম্পন্ন করেছে চীনের একটি কনটেইনার জাহাজ। চীনের নিংবো বন্দর থেকে রওনা দেয়া জাহাজটি ২০ দিনের ভ্রমণ শেষে যুক্তরাজ্যের ফেলিক্সস্টো বন্দরে পৌঁছেছে। প্রায় ২৫ হাজার টন ডেডওয়েট ক্ষমতাসম্পন্ন জাহাজটি পরে ইউরোপের রটারডাম ও হামবুর্গ বন্দরে নোঙর করবে, সর্বশেষ গন্তব্য রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ। সাধারণত সুয়েজ খাল হয়ে যাত্রা সম্পন্ন করতে প্রায় ৪০ দিন সময় লাগে, আর আফ্রিকার কেপ অব গুড হোপ ঘুরে গেলে সময় লাগে প্রায় ৫০ দিন। সে তুলনায় কম সময় লাগায় বৈশ্বিক শিপিং শিল্প আর্কটিকের এ নৌপথ ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। রুশ পারমাণবিক আইসব্রেকার বরফ ভেঙে বিরল এ বাণিজ্যপথে চলাচল সহজ করে দেয়। ভ্রমণটি প্রচলিত দক্ষিণাঞ্চলীয় রুটগুলোর তুলনায় প্রায় অর্ধেক সময়ে শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছে রাশিয়ার পারমাণবিক সংস্থা রোসাটম। আইসব্রেকার বহর পরিচালনার পাশাপাশি এনএসআর রুট পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে তারা। রাশিয়া অনেক বছর ধরে এ রুটের উন্নয়নে কাজ করছে। পরিবহন করিডোরটি আর্কটিক ও দূরপ্রাচ্য পর্যন্ত বিস্তৃত এবং ইউরোপ ও এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মধ্যে সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত নৌপথ হিসেবে বিবেচিত। রুটটি বৈশ্বিক বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন অনেকে। যেটি কিনা সুয়েজ বা পানামা খাল হয়ে যাওয়া ঐতিহ্যবাহী পথগুলোর তুলনায় পরিবহন সময় ব্যাপকভাবে কমিয়ে আনতে পারে। রোসাটম জানিয়েছে, নতুন এ রুট বিদ্যমান বাণিজ্য করিডোরগুলোর পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যের প্রবৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে। দূরপ্রাচ্য ও আর্কটিক উন্নয়নবিষয়ক রুশ মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুসারে ২০২৪ সালে এনএসআর হয়ে মোট ৩ কোটি ৭৯ লাখ টন পণ্য পরিবহন হয়েছে। রোসাটমের আর্কটিক উন্নয়নবিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি ভ্লাদিমির পানভ চলতি মাসের শুরুতে জানান, রাশিয়া এ রুটে আটটি পারমাণবিক আইসব্রেকার মোতায়েন করেছে, যার মধ্যে চারটি সর্বাধুনিক প্রজন্মের। খবর আরটি

আরও